প্রচণ্ড গরমেও মিলবে বালতি ভরা দুধ! পশুপালকদের ভাগ্য বদলে দেবে এই ৪ বিশেষ জাতের গরু-মহিষ?

গ্রীষ্মপ্রধান বা গরম অঞ্চলে পশুপালন শুরু করার আগে পশুদের জাত বা প্রজাতি নির্বাচনের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সব জাতের গরু বা মহিষ অতিরিক্ত তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে না। ফলে তীব্র গরমের কারণে পশুদের শারীরিক স্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হয় এবং দুধ উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। তাই ডেইরি ব্যবসায় কাঙ্ক্ষিত সাফল্য ও উন্নত মুনাফা অর্জন করতে কৃষকদের নিজ অঞ্চলের জলবায়ুর উপযোগী পশু বাছাই করা প্রয়োজন।

চিত্রকূটের জ্যেষ্ঠ পশু চিকিৎসা কর্মকর্তা ড. পি. কে. সিং জানান, গরম এলাকার আবহাওয়ায় পশুপালনের জন্য ‘মুররা’ জাতের মহিষ অত্যন্ত উপযোগী ও জনপ্রিয়। তবে দুধের পরিমাণ পশুর বয়স, স্বাস্থ্য ও সঠিক খাদ্যাভ্যাসের ওপর নির্ভর করে।

পাশাপাশি, দেশি প্রজাতির ‘কেনকাটা’ ও ‘সাইওয়াল’ গরু গরম আবহাওয়ার জন্য সেরা বিকল্প। সাইওয়াল গরু সঠিক পরিচর্যা ও সুষম খাদ্য পেলে চরম গরমেও দুধের পরিমাণ ধরে রাখতে সক্ষম। এছাড়া ‘হরিয়ানা’ জাতের গরুও গরম এলাকার জলবায়ুর সঙ্গে দারুণভাবে মানিয়ে নেয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল ভালো জাত নির্বাচন করলেই চলবে না; পশুদের সুষম খাদ্য, সবুজ ঘাস, শুকনো ভুষি এবং প্রচুর পরিমাণে পরিষ্কার জল সরবরাহ করতে হবে। তীব্র রোদ থেকে বাঁচাতে ছায়াঘেরা ও বাতাসযুক্ত স্থানে রাখার ব্যবস্থা করলে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ৬ লিটার পর্যন্ত দুধ পাওয়া সম্ভব।