হ্যালোউইনে বুকের রক্ত হিম করতে চান? রইল সত্যি ঘটনার ওপর তৈরি ১০টি ভয়ঙ্কর ভূতের ছবির তালিকা!

সত্যি ঘটনা বা প্যারানর্মাল অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে বানানো ভূতের ছবি দেখার জন্য হ্যালোউইনের চেয়ে ভালো সময় আর হতেই পারে না। যদিও সিনেমায় দেখানো সমস্ত ভৌতিক ঘটনাই যে পুরোপুরি বাস্তবসম্মত, এমনটা নাও হতে পারে। তা সত্ত্বেও, রোমাঞ্চপ্রেমী দর্শকদের জন্য এবারের হ্যালোউইনে ঘরে বসেই দেখার মতো সত্যি ঘটনা বা প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা সেরা ১০টি ভূতের ছবির একটি আকর্ষণীয় তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

তালিকার প্রথম ছবি হলো বহুল আলোচিত ‘অ্যানাবেল’ (২০১৪)। প্যারানর্মাল তদন্তকারী এড এবং লরেইন ওয়ারেন একটি র‍্যাগেডি অ্যান পুতুলকে অভিশপ্ত বলে দাবি করেছিলেন, যাঁর ওপর ভিত্তি করেই এই ছবি তৈরি, যদিও এর সত্যতা এখনও প্রমাণিত নয়। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ‘দ্য কনজ্যুরিং’ (২০১৩), যেখানে ১৯৭০-এর দশকে রোড আইল্যান্ডের একটি খামারবাড়িতে পেরন পরিবারের মুখোমুখি হওয়া ভয়ংকর প্যারানর্মাল অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরা হয়েছে। তৃতীয় স্থানে থাকা ‘দ্য এক্সরসিসম অফ এমিলি রোজ’ (২০০৫) ছবিটি ১৯৭৬ সালে জার্মানিতে অ্যানেলিজ মিশেল নামের এক তরুণীর মর্মান্তিক এক্সরসিজম ও মৃত্যুর সত্য ঘটনার ওপর নির্মিত একটি চমৎকার কোর্টরুম হরর ছবি।

তালিকায় থাকা চতুর্থ ছবি ‘ওপেন ওয়াটার’ (২০০৩) ১৯৯৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার গ্রেট ব্যারিয়ার রিফে ডাইভিং করতে গিয়ে টম এবং এইলিন লোনারগানের মাঝসমুদ্রে একা আটকে পড়ার সারভাইভাল থ্রিলার তুলে ধরে। পঞ্চম স্থানে রয়েছে ভারতীয় হরর ছবি ‘ভূত: পার্ট ওয়ান – দ্য হন্টেড শিপ’ (২০২০), যা ২০১১ সালে মুম্বইয়ের জুহু বিচে এমভি উইজডম নামের কার্গো জাহাজ আটকে পড়ার ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত। ষষ্ঠ স্থানে থাকা ‘দ্য স্টোনম্যান মার্ডারস’ (২০০৯) ১৯৮০-এর দশকে মুম্বইয়ে গৃহহীন মানুষদের ওপর চলা সিরিয়াল কিলারের রহস্যময় খুনের ঘটনার সঙ্গে কাল্পনিক তদন্ত মিশিয়ে তৈরি। সপ্তম স্থানে রয়েছে থাই হরর ছবি ‘ডেথ হুইস্পারার’ (২০২৩), যা ১৯৭০-এর দশকের এক পরিবারের ভয়ংকর অভিজ্ঞতার ওপর আধারিত।

এছাড়াও অষ্টম স্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ান হরর থ্রিলার ‘ভিনা: বিফোর ৭ ডেজ’ (২০২৪), যা ভিনা দেউই আরসিতা ও তাঁর প্রেমিকের খুনের ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত। নবম স্থানে থাকা থাই ছবি ‘দ্য আনবর্ন চাইল্ড’ (২০১১) ২০১০ সালে ব্যাংককের মন্দির থেকে ২০০০-এর বেশি ভ্রূণের কঙ্কাল উদ্ধারের মর্মান্তিক ঘটনার ওপর তৈরি। এবং দশম তথা শেষ আকর্ষণ হলো ‘অ্যামিটিভিল হরর’ (১৯৭৯), যা ১৯৭৪ সালের ডিফিও পরিবারের খুন ও লুৎজ পরিবারের ভৌতিক অভিজ্ঞতার দুই সত্যি ঘটনা মিলিয়ে তৈরি। অভিশপ্ত পুতুল থেকে শুরু করে সিরিয়াল কিলার বা এশিয়ান হরর— এবারের হ্যালোউইনের রাত কাটাতে এই তালিকা থেকে আপনার পছন্দের থ্রিলারটি বেছে নিতেই পারেন।