লক্ষ্মীপুজোর রাতে এই ৩টি কাজ করলেই খুলবে ভাগ্য! সংসারে অর্থাভাব দূর করার গোপন ট্রিক জানুন

দুর্গাপুজোর আনন্দ আর উৎসবের আবহ কাটতে না কাটতেই বাঙালি ঘরে ঘরে শুরু হয়ে যায় কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর প্রস্তুতি। আলপনা, ফুল আর ধূপ-দীপ দিয়ে ধন-সম্পদের দেবী মা লক্ষ্মীকে ঘরে ঘরে স্বাগত জানান সব শ্রেণির মানুষ। চলতি বছর ২৫ অক্টোবর, রবিবার উদযাপিত হবে এই কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো। শাস্ত্র ও বিশ্বাস অনুযায়ী, এই শুভ তিথিতে মা লক্ষ্মীর আরাধনা করলে সংসারে চিরস্থায়ী সুখ, শান্তি ও ধন-সম্পদ বিরাজ করে।
ধর্মীয় বিশ্বাস ও জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিনে কিছু বিশেষ নিয়ম ও টোটকা মেনে চললে সংসারে টাকার অভাব ঘুচে যায়। জ্যোতিষী রাহুল দে জানান, “পুজোর আগেই ঘরবাড়ি পুরোপুরি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা অত্যন্ত জরুরি, কারণ মা লক্ষ্মী সর্বদা পরিষ্কার গৃহেই বিরাজ করেন।” মা লক্ষ্মীর আসন লাল বা হলুদ কাপড়ে সাজিয়ে পদ্মফুল, ধূপ, দীপ ও গঙ্গাজল সহকারে পুজো দেওয়া উচিত। পাশাপাশি, বাড়ির মূল দরজায় ও পুজোর স্থানে প্রদীপ জ্বালানো অত্যন্ত শুভ।
শাস্ত্র মতে, লক্ষ্মীপুজোয় দেবীকে নারকেল ও চিঁড়ের ভোগ নিবেদন করা অত্যন্ত পুণ্যদায়ক। উপবাস রাখা ভক্তরা পুজোর শেষে এই প্রসাদ গ্রহণ করে ব্রত ভঙ্গ করতে পারেন। দেবী লক্ষ্মীকে শক্তির উৎস মানা হয় এবং তিনি ভগবান বিষ্ণুর অর্ধাঙ্গিনী। বিশ্বাস করা হয়, কোজাগরী পূর্ণিমায় লক্ষ্মীপুজোর পাশাপাশি যদি নারায়ণ পুজো করা হয়, তবে সারা বছর দেবীর কৃপা বজায় থাকে। এই দিনে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, গঙ্গাস্নান এবং দরিদ্রদের সাহায্য কিংবা কুমারী মেয়েদের উপহার দিলে সংসারে অর্থাভাব দূর হয় ও ধন লাভ ঘটে।