“পুজোর উপহারে চমক! ৩৮% ডিএ-র পর এবার সপ্তম পে কমিশন নিয়ে নবান্নের বিরাট মাস্টারস্ট্রোক”

দুর্গাপূজার উৎসবের আবহেই রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য ফের এক বিরাট সুখবর দিল নবান্ন। উৎসবের মরশুমে ইতিমধ্যেই কর্মীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বর্ধিত ৩৮ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা (ডিএ)-সহ বেতন পৌঁছেছে। তার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য সপ্তম বেতন কমিশন (Seventh Pay Commission) পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর করার পথে আরও এক বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। কর্মচারীদের নতুন বেতন ও ভাতার পরিকাঠামো চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে দফতরভিত্তিক তথ্য সংগ্রহের কাজ জোরকদমে শুরু করেছে প্রশাসন।
রাজ্য সরকারের জারি করা এক বিশেষ নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, নতুন পে কমিশনের সুপারিশ দ্রুত ও নিখুঁতভাবে তৈরির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ। কর্মীদের বর্তমান মূল বেতন (বেসিক পে) ও অন্যান্য ভাতার পরিকাঠামো বিশদে পর্যালোচনা করবে কমিশন, যাতে বর্তমান সময় ও মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে যুগোপযোগী একটি বেতন কাঠামো গড়ে তোলা যায়।
এই পুরো প্রক্রিয়াটি দ্রুত এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করতে কোনো কাগজ বা ফাইলের বদলে সম্পূর্ণ ডিজিটাল ও অনলাইন ব্যবস্থার ওপর ভরসা রাখছে নবান্ন। একটি বিশেষ অনলাইন পোর্টাল চালু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে রাজ্যের প্রতিটি সরকারি বিভাগ তাদের অধীনে থাকা পদ, সার্ভিস ক্যাডার, কর্মী সংখ্যা এবং তাঁদের বর্তমান বেতন ও ভাতার পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য সরাসরি পোর্টালে নথিভুক্ত করবে।
নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত কাঠামোর ‘পার্ট এ’ এবং ‘পার্ট বি’-তে থাকা নির্দিষ্ট নিয়মাবলী মেনে প্রতিটি দফতরকে দ্রুত ডেটাবেস আপডেট করতে হবে। এই নতুন পে কমিশনের নজর কেবল মূল বেতন বৃদ্ধির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না; কর্মীদের চাকরির সামগ্রিক সুযোগ-সুবিধা, ভাতা এবং কাজের অন্যান্য পরিকাঠামোও খতিয়ে দেখে তবেই সরকারের কাছে চূড়ান্ত সুপারিশ জমা দেবে কমিশন। নবান্নের এই দ্রুত পদক্ষেপে স্বভাবতই খুশির হাওয়া ছড়িয়ে পড়েছে রাজ্য সরকারি কর্মচারী মহলে।