পুজোর মুখে পকেটে ক্যাশ আর ক্যাশ! সরকারি কর্মীদের জন্য এল সপ্তম পে কমিশনের মেগাস্রাকচার!

বাঙালির ১২ মাসে ১৩ পার্বণ, আর সেই সমস্ত উৎসবের মধ্যে মুকুটমণি হল দুর্গাপুজো। মা দুর্গা মর্ত্যে আসেন মাত্র কটিদিনের জন্য, যার জন্য গোটা বছর অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকেন আপামর বাঙালি। প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঢাকের বাদ্যি আর কাশফুলের দোলায় মেতে ওঠার এই সোনালী আবহেই রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য একের পর এক দারুণ সুখবর সামনে আসছে। শারদোৎসবের আনন্দ দ্বিগুণ করতে পুজোর মুখেই সরকারি কর্মীদের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে বাড়তি টাকা এবং মিলছে কাঙ্ক্ষিত ডিএ। আর এর মাঝেই সপ্তম পে কমিশন নিয়ে প্রকাশ্যে এল অত্যন্ত কৌতূহলোদ্দীপক ও বড় তথ্য।
নতুন বেতন কমিশন দ্রুত কার্যকর করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই একাধিক সুদূরপ্রসারী ও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের উদ্দেশ্যে বেতন ও ভাতা কাঠামো পুনর্বিন্যাসের কাজ আরও ত্বরান্বিত করতে নয়া পে কমিশন কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছে। বিভিন্ন পদের বেতন পরিকাঠামো পর্যালোচনার জন্য প্রয়োজনীয় যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করতে এবার একটি সম্পূর্ণ নতুন ও দফতরভিত্তিক অনলাইন ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সরকারের তরফ থেকে জারি করা সাম্প্রতিক নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট কমিশন কর্মীদের বর্তমান বেতন এবং ভাতার বহর পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখে অতি শীঘ্রই সুনির্দিষ্ট সুপারিশ পেশ করবে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল করতে বিভিন্ন সরকারি দফতরের অধীন সমস্ত পদ, নির্দিষ্ট পরিষেবা, ক্যাডার এবং কর্মরত কর্মী সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি, নতুন পে কমিশন গঠনের প্রস্তাবের ‘পার্ট এ’ এবং ‘পার্ট বি’-তে স্পষ্টভাবে উল্লিখিত সংশ্লিষ্ট কর্মী ও সংস্থাসমূহের যাবতীয় তথ্য দ্রুত তালিকাভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উৎসবের এই মরশুমে এই নয়া বেতন কাঠামোর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় রাজ্যজুড়ে সরকারি কর্মচারীদের অন্দরে খুশির হাওয়া বইছে।