সবুজ শক্তির ছোঁয়ায় বদলাবে ভারতের ভবিষ্যৎ! সোলার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মিলবে লোভনীয় বেতনের চাকরি

ভারতের গ্রিন এনার্জি বা নবায়নযোগ্য শক্তি খাতে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ১০ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে চলেছে। কাউন্সিল অন এনভায়রনমেন্ট, এনার্জি অ্যান্ড ওয়াটার (CEEW), ন্যাচারাল রিসোর্সেস ডিফেন্স কাউন্সিল এবং স্কিল কাউন্সিল ফর গ্রীন জবস-এর যৌথ সমীক্ষায় এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। মূলত রুফটপ সোলার এবং মিনি-মাইक्रो গ্রিড সিস্টেমের মতো ছোট আকারের রিনুয়েবল এনার্জি প্রজেক্টগুলির হাত ধরেই এই বিশাল কর্মসংস্থানের পথ উন্মুক্ত হবে, যেখানে বর্তমানে প্রায় ১.১ লক্ষ মানুষ কর্মরত রয়েছেন।
সোলার ইঞ্জিনিয়াররা সৌরশক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করেন। তাঁদের মূল দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে সোলার প্রজেক্টের পরিকল্পনা, রূপায়ন এবং নিখুঁত ডিজাইন তৈরি করা। সোলার রুফটপ প্যানেল ইনস্টলেশন থেকে শুরু করে বাণিজ্যিক ও আবাসিক সোলার পাওয়ার সিস্টেম ডেভেলপমেন্টেও এই ইঞ্জিনিয়ারদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত ইলেকট্রিক্যাল, কেমিক্যাল, ইন্ডাস্ট্রিয়াল কিংবা কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাকগ্রাউন্ডের ছাত্রছাত্রীরা এই সেক্টরে নিজেদের উজ্জ্বল কেরিয়ার গড়তে পারেন। আইআইটি (IIT) বা এনআইটি (NIT)-এর মতো দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানে জেইই (JEE) পরীক্ষার মাধ্যমে এই সমস্ত কোর্সে ভর্তির সুযোগ পাওয়া যায়।
এছাড়াও সোলার এনার্জি সেক্টরে প্রজেক্ট ম্যানেজার, ইঞ্জিনিয়ার, সেলস প্রফেশনাল এবং বিজনেস ডেভেলপমেন্ট এক্সপার্টদের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। অন্যদিকে, সোলার প্যানেল স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণের মতো কাজের জন্য দক্ষ ও অদক্ষ উভয় ধরনের কর্মীদের জন্য বড় সুযোগ রয়েছে। সরকারি ‘সূর্য মিত্র কৌশল विकास कार्यक्रम’-এর পাশাপাশি বড় কোম্পানিগুলোও কর্মীদের নিজ দায়িত্বে বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। সবমিলিয়ে, সবুজ শক্তির এই বিশাল উত্থান দেশের তরুণ প্রজন্মের সামনে এক নতুন দিগন্ত খুলে দিচ্ছে।