যন্তর মন্তরে ধর্না-বিক্ষোভের দিন শেষ! বড়সড় সিদ্ধান্ত অমিত শাহের মন্ত্রকের, প্রতিবাদের জন্য মিলল নতুন ৩ ঠিকানা

দেশের রাজধানীর কেন্দ্রস্থল যন্তর মন্তরে সমস্ত ধরনের রাজনৈতিক ও সামাজিক ধর্না-বিক্ষোভ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে বিকল্প তিনটি স্থান নির্দিষ্ট করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।
দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে দিল্লির যন্তর মন্তর বিভিন্ন আন্দোলন, অবস্থান বিক্ষোভ ও রাজনৈতিক প্রতিবাদ সভার প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত ছিল। তবে সংসদ ভবন, কেন্দ্রীয় সচিবালয় এবং ভিআইপি জোনের অত্যন্ত সন্নিকটে হওয়ায় এই এলাকায় নিত্যদিনের বিক্ষোভের কারণে তীব্র যানজট ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঝুঁকির কারণ দেখিয়ে এই কঠোর পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সাম্প্রতিক রূপরেখা অনুযায়ী, জনজীবনের স্বাভাবিক ছন্দ ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে বিক্ষোভকারীদের জন্য বিকল্প তিনটি জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছে—যার মধ্যে রয়েছে রামলীলা ময়দান, বুরারি গ্রাউন্ড এবং নির্দিষ্ট শর্তাধীনে কনস্টিটিউশন ক্লাবের সংলগ্ন মুক্তাঞ্চল। এখন থেকে রাজধানীতে কোনও ধরনের অবস্থান বা ধর্না কর্মসূচি পালন করতে হলে নির্ধারিত নতুন স্থানগুলির জন্যই দিল্লি পুলিশের আগাম অনুমতি নিতে হবে।
একনজরে নতুন নির্দেশিকা ও সিদ্ধান্ত:
যন্তর মন্তরে নিষেধাজ্ঞা: কেন্দ্রস্থলের যন্তর মন্তরে ধর্না, অবস্থান ও জমায়েতের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি।
নতুন ৩টি বিকল্প স্থান: বিক্ষোভের জন্য রামলীলা ময়দান, বুরারির গ্রাউন্ড-সহ নির্ধারিত তিনটি পৃথক এলাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
কড়া অনুমতি প্রক্রিয়া: নতুন স্থানগুলিতেও মাইক ব্যবহার, জমায়েতের সংখ্যা এবং সময়সীমা নিয়ে দিল্লি পুলিশের বিশেষ ছাড়পত্র বাধ্যতামূলক।
ঐতিহাসিক প্রতিবাদের এই প্রতীকী চত্বর বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নাগরিক সমাজের একাংশ ও বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে, যা নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক শুরু হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে।