পুজোর আগেই পকেট ভারী হচ্ছে রান্নার লোক ও কর্মীদের! পিএম পোষণ প্রকল্পে ৯৭৩ কোটি টাকা বরাদ্দ সহ ভাতার বিরাট বৃদ্ধি

প্রধানমন্ত্রী পোষণ প্রকল্পে (PM Poshan Scheme) বড়সড় আর্থিক বরাদ্দের ঘোষণা করল প্রশাসন। উৎসবের প্রাক্কালে রান্নার খরচ (Cooking Cost) এবং কুক-হেল্পার বা রান্না সহায়কদের ভাতা বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছেন দীপক বর্মন। এর পাশাপাশি আগামী ১ অক্টোবর থেকে শিক্ষা দফতরের বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের সাম্মানিক বৃদ্ধিরও সুখবর শোনানো হয়েছে।
কোথায় কত বরাদ্দ ও সাম্মানিক বৃদ্ধি?
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে দীপক বর্মন জানান, পিএম পোষণ প্রকল্পটি নিজে তদারকি করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ছাত্রছাত্রীদের পুষ্টি যাতে কোনোভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সেদিকে কড়া নজর রাখা হচ্ছে। বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন অ্যাপের মাধ্যমে এই প্রকল্পের যাবতীয় কাজ পরিচালিত হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে প্রাথমিক পর্যায়ে সামান্য বিলম্ব হলেও বর্তমানে সমস্ত জটিলতা কেটে গেছে এবং সর্বস্তরে অর্থ পৌঁছে গেছে।
চলতি মাসের শেষ পর্যন্ত রান্নার সাহায্যকারীদের জন্য ৪২৪.৪৩ কোটি টাকা এবং কুকিং কস্টের জন্য ৫৭৩ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এই দফতর থেকে প্রায় ৯৯৭ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে এবং দেশজুড়ে সমস্ত বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় চাল পৌঁছে গেছে বলে জানানো হয়েছে।
এদিন দফতরের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত নির্দেশিকা বা ফাইনাল অর্ডারও প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন এই নির্দেশিকা অনুযায়ী শিক্ষা দফতরের বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের সাম্মানিকে বিরাট পরিবর্তন এসেছে:
মুখ্য সম্প্রসারক: ৬,০০০ টাকা
ম্যানেজমেন্ট স্টাফ: ৭,০০০ থেকে বাড়িয়ে ১০,০০০ টাকা
শিক্ষাবন্ধু: ৯,৯৫৪ থেকে বাড়িয়ে ১৪,৯৫৪ টাকা
স্পেশাল ক্যাটাগরি কর্মী: ১৪,৯৫৪ থেকে বাড়িয়ে ১৯,৯৫৪ টাকা
সহায়ক-সহায়িকারা: ১১,৯৪১ থেকে বাড়িয়ে ১৬,৯৪১ টাকা
উদ্বেগ কাটিয়ে পুজোর আগেই স্বস্তি
দীপক বর্মন স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে সবচেয়ে বড় যে বিষয়টি নিয়ে সকলের মনে দুশ্চিন্তা ছিল, ১ অক্টোবর থেকে তার সমাধান হয়ে গিয়েছে। পুজোর ঠিক মুখেই সাম্মানিক ও ভাতা বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন সংশ্লিষ্ট কর্মীরা। পাশাপাশি, মিড-ডে মিল বন্ধ হওয়া বা দোকানদারদের বাকি সংক্রান্ত বিষয়গুলিও গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখছে দফতর।