পোলিশ স্ট্রাইকার শহরে পা রাখতেই লাল-হলুদে মেগা বদল! হাবাসের মাস্টারস্ট্রোক ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে

কলকাতা ডার্বি কিংবা ঘরোয়া ফুটবলের উত্তেজনায় ফের একবার আলোড়ন। ইস্টবেঙ্গলের নতুন পোলিশ স্ট্রাইকার লুকাস জুলিনস্কি সোমবার সকালে পা রেখেছেন তিলোত্তমা রাজধানীতে। আর নতুন বিদেশি তারকার শহরে আসার দিনেই প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডের অভাবে কলকাতা ছেড়ে কল্যাণীর মাঠে অনুশীলন শুরু করল লাল-হলুদ ব্রিগেড।

আসন্ন জোড়া ফিফা ফ্রেন্ডলির কারণে বর্তমানে শহরের মূল প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডগুলোর পরিস্থিতি বেশ জটিল। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের অনুশীলন মাঠ পুরোপুরি ফিফা-র দখলে চলে গেছে। পাশাপাশি, নিউটাউনে অবস্থিত অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনের (AIFF) সেন্টার অব এক্সেলেন্সের মাঠটি বরাদ্দ করা হয়েছে ভারতীয় দলের অনুশীলনের জন্য। এই পরিস্থিতিতে আইএফএ শিল্ডের মাঝেই আন্তোনিও লোপেজ হাবাস তাঁর দলবল নিয়ে সোজা কল্যাণীতে পা জমিয়েছেন।

হাবাসের নতুন স্ট্র্যাটেজি ও পঞ্জাব ম্যাচ

সাধারণত বিকেলে অনুশীলন হওয়ার কথা থাকলেও সোমবার সকালেই কল্যাণীতে ঘাম ঝরাতে দেখা যায় লাল-হলুদ ফুটবলারদের। আগামী বুধবার আইএফএ শিল্ডের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে পঞ্জাব এফসির মুখোমুখি হচ্ছে ইস্টবেঙ্গল। যদিও দুই দলই ইতিমধ্যে টুর্নামেন্টের শেষ চারে নিজেদের জায়গা পাকা করে ফেলেছে, তবুও ম্যাচটি নিয়মনিযুক্ত হলেও কোচ হাবাস দলকে জয়ের ধারা থেকে সরাতে নারাজ।

শিল্ডের প্রথম ম্যাচে ভারতীয় ব্রিগেডের ওপর ভরসা রেখেছিলেন স্প্যানিশ হেডস্যার এবং ডাগআউটেও বিনো জর্জকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন তিনি। তবে শিল্ডের দ্বিতীয় ম্যাচ এবং নকআউট পর্বে আংশিক সিনিয়র দলের পাশাপাশি চারজন বিদেশি ফুটবলারকে মাঠে নামানোর পরিকল্পনা রয়েছে। যার মধ্যে মহম্মদ রশিদ, ক্রিস ইকোনোমিডিস, দানি রামিরেজ এবং দিয়েগো জিভুলিচকে দেখা যেতে পারে। মূলত আসন্ন আইএসএল এবং এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ-টু’য়ের কথা মাথায় রেখেই এই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা সাজাচ্ছেন হাবাস।

লোবার ফেরা ও ভিসা সমস্যা নিয়ে আপডেট

নতুন পোলিশ স্ট্রাইকার শহরে চলে এলেও তিনি এখনও অনুশীলনে নামেননি। অন্যদিকে, এ কে লোবার কিছু মেডিক্যাল টেস্টের রিপোর্ট নিয়ে কিছুটা ধোঁয়াশা তৈরি হলেও সব জটিলতা কাটিয়ে আগামী বৃহস্পতিবার থেকেই তিনি অনুশীলনে নামছেন বলে খবর। তবে এফিয়ং এনসুংগুসির ভিসা সংক্রান্ত সমস্যা এখনও পুরোপুরি কাটেনি। সমস্ত প্রতিকূলতা ও বাহ্যিক অজুহাত এড়িয়ে বর্তমান পরিস্থিতিকে পুঁজি করেই ইস্টবেঙ্গলকে জয়ের সরণীতে টিকিয়ে রাখতে বদ্ধপরিকর কোচ হাবাস।