“এ এক চরম লজ্জার ঘটনা!” পিটিআই মার্চের আগেই পুলিশি অভিযানে ইমরান খানের পিসি ও দাদাদের তুলে নেওয়ার অভিযোগ ছেলের

আসন্ন ২৭ সেপ্টেম্বর পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ বা পিটিআই-এর (PTI) প্রতিবাদী মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পাক রাজনীতি। ঠিক তার আগেই কারাবন্দি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পরিবারিক ও রক্তসম্পর্কীয় একাধিক সদস্যকে গ্রেপ্তারের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুললেন তাঁর ছেলে কাসিম খান। সামাজিক মাধ্যম এক্স (X)-এ পরপর পোস্ট করে তিনি দাবি করেছেন যে পুলিশ তাঁদের বাড়িতে জোর করে ঢুকে তাঁর পিসি ও দাদাদের তুলে নিয়ে গিয়েছে।

কাসিম খানের অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁর দুই পিসি—ডক্টর উজমা ও নোরিন এবং দুই দাদা—শেরশাহ ও শাহরেজকে কোনো কারণ না দেখিয়েই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আটক করেছে। এমনকি তাঁদের ঠিক কোথায় রাখা হয়েছে, সেই বিষয়েও পরিবারের কাছে কোনো তথ্য নেই। এই ঘটনাকে সরাসরি ‘অপরাধমূলক আচরণ’ ও ‘অমানবিক’ বলে তোপ দেগেছেন তিনি।

পরিবারের ওপর বাড়ছে কোপ:

  • অবস্থান অজ্ঞাত: কাসিম দাবি করেছেন যে গ্রেপ্তারের সময় কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ বা ওয়ারেন্টের কথা জানানো হয়নি। পরে আজিম ও সাকিনা নামে আরও দুই আত্মীয়কে তুলে নেওয়া হয়েছে।

  • আলিমা খানের গ্রেপ্তার: এর আগে গত রবিবারই লাহোরে পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের বোন আলিমা খানকে এমপিও (MPO) আইনে ৩০ দিনের জন্য আটক করে কোট লাখপত জেলে পাঠানো হয়েছে।

  • রাজনৈতিক চাপানউতোর: আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের ‘জাস্টিস মার্চ’ বা প্রতিবাদ মিছিল বানচাল করতেই সরকার এই দমনপীড়ন নীতি চালাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে পিটিআই নেতৃত্ব।

ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পরিকল্পিত এই প্রতিবাদের আগে পরিবারের একের পর এক সদস্যের বিরুদ্ধে এই ধরনের পুলিশি পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এই গোটা বিষয়ের আন্তর্জাতিক স্তরে নজর দেওয়া উচিত বলে দাবি জানিয়েছেন কাসিম খান।