“ঢাক-সহ ঢাকির বিসর্জন!” তৃণমূলের প্রতীক ও নাম হাতছাড়া হতেই শঙ্কর ঘোষের বিস্ফোরক মন্তব্যে তোলপাড় রাজ্য

“ঢাক-সহ ঢাকির বিসর্জন!” তৃণমূলের প্রতীক ও নাম হাতছাড়া হওয়া প্রসঙ্গে তীব্র আক্রমণ মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষের

তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং ঐতিহ্যবাহী প্রতীক নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে স্থগিত বা ‘ফ্রিজ’ হওয়ার পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক তরজা। এই পরিস্থিতিতে শাসকশিবিরকে নিশানা করে চরম কটাক্ষ করলেন রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ। তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং নাম-প্রতীক হারানোর ঘটনাকে এককথায় “ঢাক-সহ ঢাকির বিসর্জন” বলা চলে।

এ দিন সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ বলেন, “অনেক দিন আগে একটা প্রবাদ শুনেছিলাম— ঢাক-সহ ঢাকির বিসর্জন। দল ও তার প্রতীক একসঙ্গে বিসর্জন যাওয়াকে এভাবেই চিহ্নিত করা যায়। এমন দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনৈতিক দল এর আগে আমরা কখনও দেখিনি। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে সেই পতনের প্রথম ধাপ সম্পন্ন হলো। আগামী দিনে এই দলের সম্পূর্ণ অস্তিত্বই বিলোপ হয়ে যাবে।”

বিরোধীদের তরফ থেকে নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপকে ষড়যন্ত্র বলে যে দাবি করা হচ্ছে, তা উড়িয়ে দিয়েছেন শঙ্কর ঘোষ। তাঁর মতে, যারা নিজেদের দলের অধিকার নিয়েই নিজেরা বিভক্ত হয়ে পড়েছে এবং বিভিন্ন গোষ্ঠী আলাদা প্রতীকের দাবি জানাচ্ছে, তাদের এই ধরনের যুক্তিনহীন সমালোচনার কোনো গুরুত্ব নেই।

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী আরও দাবি করেন, নির্বাচনের পর থেকেই তৃণমূল তাদের রাজনৈতিক জমি হারাতে শুরু করেছে। অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে দলটি আজ টুকরো টুকরো হয়ে গেছে, যা আসন্ন উপনির্বাচনের লড়াইয়েও স্পষ্ট হয়ে উঠবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।