সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশ কার্যকর! গোয়া লিফট ধর্ষণ কাণ্ডে বড় আইনি ধাক্কা খেয়ে আত্মসমর্পণ করলেন তরুণ তেজপাল!

দিল্লির জনপ্রিয় ও বিতর্কিত সংবাদমাধ্যম ‘তেহেলকা’র প্রাক্তন এডিটর-ইন-চিফ তরুণ তেজপাল অবশেষে দীর্ঘ আইনি লড়াই এবং সমস্ত আইনি প্রতিকার ব্যর্থ হওয়ার পর গত ১৪ সেপ্টেম্বর গোয়ার মাপুসা আদালতের সামনে সশরীরে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন। এর আগে বম্বে হাইকোর্ট ২০১৩ সালের আলোচিত এই যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণ মামলায় তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের কঠোর কারাদণ্ডের সাজা শুনিয়েছিল। ২০১৩ সালের নভেম্বর মাসে গোয়ার একটি নামী হোটেলের লিফটের ভেতরে নিজেরই এক জুনিয়র সহকর্মীর সঙ্গে জোরপূর্বক যৌন হেনস্থা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালানোর গুরুতর অভিযোগে এই আইনি লড়াইয়ের সূচনা হয়েছিল।
ঘটনার দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ায়, ২০২১ সালের মে মাসে গোয়ার একটি নিম্ন বা সেশন আদালত তরুণ তেজপালকে সমস্ত অভিযোগ থেকে সম্পূর্ণ বেকসুর খালাস করে দিয়েছিল। সেই সময় আদালত জানিয়েছিল যে, prosecutions পক্ষ বা অভিযোগকারী দল ঘটনার সত্যতা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু নিম্ন আদালতের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে গোয়া সরকার বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়। পরবর্তী সময়ে বম্বে হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের খালাসের সেই রায় সম্পূর্ণভাবে খারিজ করে দেয় এবং তরুণ তেজপালকে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা করে। হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে তরুণ তেজপাল দেশের সর্বোচ্চ আদালত বা সুপ্রিম কোর্টের শরণাপন্ন হয়েছিলেন। তবে সুপ্রিম কোর্ট তাঁর আর্জি খারিজ করে দিয়ে তাঁকে অবিলম্বে আত্মসমর্পণ করার কড়া নির্দেশ দেয়। সেই শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনেই তিনি সোমবার মাপুসা আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।