জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পরেই মোদী সরকারের বিরুদ্ধে মারাত্মক ‘আত্মসমর্পণের’ অভিযোগ তুলল কংগ্রেস!

নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষ হতেই শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক। বেজিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টার মাঝেই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ‘সুপরিকল্পিত আত্মসমর্পণের’ গুরুতর অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে কংগ্রেস। রবিবার দলের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি চারটি জোরালো প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ।

শনিবার ব্রিকস মঞ্চে চিনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মূল ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। দুই নেতাই পারস্পরিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের অগ্রগতি স্বীকার করার ঠিক একদিন পরেই নরেন্দ্র মোদীর চিন নীতিকে কাঠগড়ায় তুলেছে হাত শিবির। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বিবৃতিতে জয়রাম রমেশ দাবি করেছেন, সরকারের নরম মনোভাবের জেরে দেশের কৌশলগত অবস্থান দুর্বল হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর সামনে রাখা কংগ্রেসের চার প্রধান প্রশ্নের মধ্যে রয়েছে ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষের পর প্রধানমন্ত্রীর সেই বিতর্কিত মন্তব্য, যেখানে বলা হয়েছিল কেউ ভারতীয় সীমানায় ঢোেনি। সেই বক্তব্য আজও কেন প্রত্যাহার করা হলো না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস। পাশাপাশি, পূর্ব লাদাখ ও অরুণাচলপ্রদেশে জমি হারানো, লাদাখে ঐতিহ্যবাহী চারণভূমিতে ভারতীয় পশুপালকদের প্রবেশাধিকার বন্ধ হওয়া এবং আকাশছোঁয়া বাণিজ্য ঘাটতি নিয়েও কেন্দ্রকে একহাত নিয়েছে বিরোধী দল। বিশ্বমঞ্চে এই হাই-প্রোফাইল বৈঠকের রেশ কাটতে না কাটতেই অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে শুরু হওয়া এই জল্পনা এখন তুঙ্গে।