‘আঙুল কেটে দিতাম!’ থেকে ‘বাংলার হোমো’— কল্য়াণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিতর্কিত মন্তব্যের লম্বা তালিকা

তৃণমূল কংগ্রেসের প্রবীণ সাংসদ ও আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর সংসদীয় কাজের চেয়েও বেশি চর্চায় থাকেন তাঁর বিতর্কিত ও চটকদার মন্তব্যের জন্য। কখনও দেশের সাংবিধানিক প্রধান, কখনও সহকর্মী, আবার কখনও পৌরাণিক চরিত্র— কল্যাণের আক্রমণ থেকে বাদ যাননি কেউই।

সম্প্রতি দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ‘আঙুল কেটে দেওয়ার’ হুমকি দিয়ে ফের বিতর্কের কেন্দ্রে তিনি। এর আগে কসবা ধর্ষণ কাণ্ডে ‘কলেজে কি পুলিশ থাকবে?’ বলে বিতর্ক বাড়িয়েছিলেন তিনি। এমনকি সীতার বনবাস ও হাথরস কাণ্ডকে গুলিয়ে ফেলে বিজেপির তীব্র রোষের মুখে পড়েন এই সাংসদ। নিজের দলের সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে নিয়ে তাঁর ‘দিনটাই খারাপ যাবে’ মন্তব্য বা কৃষ্ণনগরের সাংসদকে নিয়ে অশালীন ইঙ্গিত রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল ফেলেছিল।

বিরোধী নেতাদের আক্রমণ করতে গিয়েও শালীনতার মাত্রা ছাড়িয়েছেন কল্যাণ। শুভেন্দু অধিকারীকে ‘বাংলার হোমো’ বলা থেকে শুরু করে সিদ্ধার্থনাথ সিং-এর দাদু লালবাহাদুর শাস্ত্রীকে টেনে আনা— তালিকাটি বেশ দীর্ঘ। সংসদের বাইরে উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়কে শারীরিক অঙ্গভঙ্গিতে ভেঙানোর ঘটনাটি আন্তর্জাতিক স্তরেও সমালোচিত হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদী সরকারকে কটাক্ষ করতে গিয়ে তাঁর ‘চু-কিতকিত’ ধ্বনি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হলেও সংসদীয় গরিমা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।