ইউপি টেট পরীক্ষার্থীদের জন্য বিরাট সুখবর! পরীক্ষার দিনক্ষণ ঘোষণা হাইকোর্টে, বছরে দু’বার নেওয়া হবে টেট?

উত্তর প্রদেশ শিক্ষক যোগ্যতা পরীক্ষা বা ইউপি টেট (UP TET)-এর প্রস্তুতি নিচ্ছেন এমন লক্ষ লক্ষ চাকরিপ্রার্থীদের জন্য এলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বড় খবর। উত্তর প্রদেশ শিক্ষা পরিষেবা নির্বাচন কমিশন (UPESSC) পরবর্তী ইউপি টেট পরীক্ষা আয়োজনের যাবতীয় প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ২০২৭ সালের ২৬ ও ২৭শে ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বহুল প্রতীক্ষিত এই ইউপি টেট পরীক্ষা। এলাহাবাদ হাইকোর্টে একটি আবেদনের শুনানি চলাকালীন কমিশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
১. সিটেটের ধাঁচে বছরে দু’বার ইউপি টেট আয়োজনের পরিকল্পনা
জাতীয় শিক্ষক শিক্ষা পরিষদ বা এনসিটিই (NCTE)-এর নির্দেশিকা মেনে এবার থেকে প্রতি শিক্ষাবর্ষে দু’বার করে টেট পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে ইউপিইএসএসসি। ঠিক যেভাবে কেন্দ্র স্তরে সিটেট (CTET) আয়োজিত হয়, তেমনই এবার থেকে উত্তর প্রদেশেও প্রতি বছর জুলাই এবং জানুয়ারি/ডিসেম্বর সেশনে দু’বার ইউপি টেট অনুষ্ঠিত হবে। ২০১১ সালের পর থেকে উত্তর প্রদেশে এতদিন বছরে দু’বার টেট পরীক্ষা নেওয়ার কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা ছিল না, যা এবার নতুন রূপ পেতে চলেছে।
২. টিজিটি (TGT) প্রার্থীদের জন্য বিশেষ ছাড় ও গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা
রাজ্যে বর্তমানে টিজিটি (TGT) পদের জন্য যে আবেদন প্রক্রিয়া চলছে, সেখানে নন-টেট (Non-TET) প্রার্থীদের জন্য একটি বড় সুযোগ ও ছাড় দেওয়া হয়েছে। নন-টেট প্রার্থীরাও এই নিয়োগ পরীক্ষায় আবেদন করতে ও বসতে পারবেন। তবে এর জন্য বিশেষ শর্ত রাখা হয়েছে—সংক্রান্ত সকল প্রার্থীকে অবশ্যই ২০২৭ সালের ৩০শে জুনের মধ্যে টেট পাস করতে হবে। সেই সূত্রে আগামী ২০২৭ সালের ২৬ ও ২৭শে ফেব্রুয়ারির ইউপি টেট পরীক্ষাটি এই প্রার্থীদের জন্য অত্যন্ত নির্ণায়ক হতে চলেছে।
৩. শিক্ষামিত্রদের জন্য ৬টি সুযোগ ও হাইকোর্টের বড় নির্দেশ
শিক্ষামিত্রদের (Shiksha Mitras) টেট পাসের বিষয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ জারি করেছে। আদালত কমিশনকে স্পষ্ট জানিয়েছে যে, শিক্ষামিত্রদের টেট পাস করার জন্য মোট ছয়টি সুযোগ প্রদান করতে হবে। ২০২৬, ২০২৭ এবং ২০২৮ সালের মধ্যে ধার্য করা পরীক্ষাগুলিতে অংশগ্রহণ করে শিক্ষামিত্ররা তাঁদের এই ৬টি সুযোগের সুবিধা নিতে পারবেন। সব মিলিয়ে কমিশনের এই নতুন সিদ্ধান্ত ও আদালতের নির্দেশে রাজ্যের চাকরিপ্রার্থী ও শিক্ষামিত্রদের মধ্যে এক নতুন আশার আলো তৈরি হয়েছে।