‘২৪ ঘণ্টার মধ্যে পোস্ট ডিলিট করুন, নয়তো…!’ বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যকে চরম হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

সোশ্যাল মিডিয়ায় কুরুচিকর ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগে সিপিএমের বর্ষীয়ান নেতা তথা প্রবীণ আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে সরাসরি ২৪ ঘণ্টার কড়া ডেডলাইন বেঁধে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

সম্প্রতি সরকারের নীতি ও প্রশাসনিক শীর্ষ নেতৃত্বকে নিশানা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিতর্কিত মন্তব্য করেন বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। অভিযোগ, সেই পোস্টে তথ্য বিকৃত করে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানিকর ও আপত্তিকর অভিযোগ তোলা হয়েছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাফ জানিয়েছেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা মানে যা খুশি তা রটানো নয়। অবিলম্বে সেই বিতর্কিত পোস্ট মুছে ফেলে নিঃশর্ত ক্ষমা না চাইলে কড়া প্রশাসনিক ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মুখ্যমন্ত্রীর এই চরম হুঁশিয়ারিতে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে। শাসক শিবিরের দাবি, রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়েই বিরোধীরা ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অপপ্রচারের পথ বেছে নিয়েছে, যা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। অন্যদিকে, বাম নেতৃত্বের পাল্টা বক্তব্য, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকারের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলার অধিকার সকলের রয়েছে এবং প্রশাসনিক ক্ষমতা দেখিয়ে বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

একনজরে সংঘাতের মূল দিকগুলি:

  • ২৪ ঘণ্টার ডেডলাইন: সোশ্যাল মিডিয়া থেকে অবিলম্বে বিতর্কিত ও আপত্তিকর পোস্ট সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

  • আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি: নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পোস্ট ডিলিট না করলে এবং প্রকাশ্য ক্ষমা না চাইলে মানহানি ও তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলার বার্তা।

  • তীব্র রাজনৈতিক তরজা: বাক্‌স্বাধীনতার অধিকার বনাম কুৎসা ছড়ানোর অভিযোগ ঘিরে শাসক ও বাম শিবিরের মধ্যে সংঘাত চরমে।

বেঁধে দেওয়া সময়সীমা শেষ হতে চললেও প্রবীণ আইনজীবী তথা বাম নেতা নিজের অবস্থানে অনড় থাকেন, নাকি জল শেষ পর্যন্ত আদালত চত্বর পর্যন্ত গড়ায়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।