ঝাড়খণ্ডে নৃশংসতার চরম সীমা! বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে নাবালিকার গলা কাটা লাশ উদ্ধার, উধাও মাথা!

ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা জেলা থেকে মনুষ্যত্বকে লজ্জিত ও সমাজকে কাঁপিয়ে দেওয়ার মতো এক অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর ও ভয়াবহ অপরাধের খবর সামনে এসেছে। ললমাটিয়া থানা এলাকার দহুয়া গ্রামে প্রায় ১২ বছরের এক নাবালিকা স্কুলছাত্রীকে চরম নির্মমভাবে হত্যা করেছে দুষ্কৃতীরা। ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে শরীর থেকে মাথা আলাদা করে দেওয়ার পর, প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে মৃতদেহটি বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে একটি ফাঁকা খেতের মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়। সবথেকে বড় ও চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মাথাটি সম্পূর্ণ উধাও রয়েছে।
১. নিখোঁজ হওয়ার পর মর্মান্তিক পরিণতি
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই নাবালিকা গত কাল হঠাৎ করেই নিখোঁজ হয়ে যায়। পরিবারের লোকজন ও প্রতিবেশীরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনো সন্ধান পাননি। এরপর আজ সকালে বাড়ির অদূরে একটি ফসলের খেতের মধ্যে একটি ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় কৃষকরা। কাছে গিয়ে দেখা যায়, সেটি ওই নিখোঁজ নাবালিকারই দেহ, তবে তাঁর শরীর থেকে মাথাটি বিচ্ছিন্ন করে গায়েব করে দেওয়া হয়েছে।
২. এলাকায় চরম আতঙ্ক ও পুলিশের মেগা তদন্ত
দিনের আলোয় এই ধরনের পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের খবর চাউর হতেই গোটা এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। শোকস্তব্ধ ও ক্ষিপ্ত গ্রামবাসী অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই ললমাটিয়া থানার পুলিশ এবং উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকরা বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিখোঁজ মাথাটি উদ্ধারের জন্য ডগ স্কোয়াড (Dog Squad) এবং ফরেনসিক দল দিয়ে আশেপাশের এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে পারিবারিক শত্রুতা, নরবলি নাকি অন্য কোনো গভীর চক্রান্ত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।