‘পুলিশ দিয়ে হেনস্থা করছে!’ জন্মদিনের ঠিক পরের সকালেই খাস কলকাতায় সরাসরি বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন মমতা!

জন্মদিনের মধ্যরাতেই চরম উত্তেজনায় উত্তাল হয়ে উঠল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবন সংলগ্ন এলাকা। দীপাবলি ও জন্মদিনের আবহে রাতের অন্ধকারে হঠাৎই পরিস্থিতি সম্পূর্ণ রণক্ষেত্রের রূপ নেয়। আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি ও পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র শোরগোল পড়ে যায়। ঘটনার খবর পেতেই বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করে পরদিন সকালেই সোজা অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে ছুটে যান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে পৌঁছেই তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে সরাসরি জোরজুলুম এবং দমনপীড়নের গুরুতর অভিযোগ তোলেন।

জানা গেছে, বিগত কয়েক দিন ধরেই রাজনৈতিক নানা চাপানউতরের জেরে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা চলছে। তারই প্রতিবাদে জন্মদিনের রাতে পরিস্থিতি নাটকীয় মোড় নেয়। মধ্যরাতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক কড়াকড়ি ঘিরে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। পুলিশি তৎপরতা এবং সাধারণ কর্মীদের বিক্ষোভের জেরে মুহূর্তের মধ্যে গোটা চত্বর রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পুলিশি ধরপাকড় ও বলপ্রয়োগের অভিযোগ তুলে তৃণমূল নেতৃত্ব তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

সকাল হতেই পরিস্থিতি পরিদর্শনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসনের একাংশের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগ আনেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, শাসক দলের নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের কণ্ঠস্বর রোধ করতে পরিকল্পিতভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করা হচ্ছে। জন্মদিনের আনন্দ মুহূর্তে রাজনৈতিক সংঘাতে রূপ নেওয়ায় রাজ্যজুড়ে শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখার নামে এভাবে বিরোধী ও শাসক দলের শীর্ষ নেতাদের ওপর চাপ সৃষ্টির তীব্র নিন্দা করেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব।