ক্লাইম্যাক্স ফাঁস রুখতে চরম গোপনীয়তা! ১০০ বার বদলের পর তৈরি অজয়ের ছবির চিত্রনাট্য দেখে মাথা ঘুরবে

বলিউডের অন্যতম সফল এবং থ্রিলারে ভরপুর ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘দৃশ্যম ৩’ (Drishyam 3) নিয়ে দর্শকদের উন্মাদনা এখন তুঙ্গে। বিজয় সালগাঁওকরের চরিত্রে অজয় দেবগনের অনবদ্য প্রত্যাবর্তন এবং এই ফ্র্যাঞ্চাইজির শেষ পর্ব হওয়ায় ছবিটিকে ঘিরে প্রত্যাশার পারদ ছিল আকাশছোঁয়া। তবে পর্দার পেছনের এই মেগা প্রজেক্টকে সফল করতে কতটা কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে, তা সম্প্রতি ফাঁস করেছেন ছবির লেখক আমিল কিয়ান খান।

ফ্রি প্রেস জার্নালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আমিল জানান, অত্যন্ত জনপ্রিয় দুটি আগের পর্বের ঐতিহ্য বজায় রেখে তৃতীয়বারে দর্শকদের নতুন কিছু উপহার দেওয়াটা ছিল এক বিশাল পাহাড় চড়ার মতো। ‘দৃশ্যম’-এর মূল ডিএনএ অটুট রেখে হাস্যরস, পরিবার, আবেগ এবং রোমাঞ্চের এক নিখুঁত ও সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রাখাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

১০০টিরও বেশি খসড়া এবং চরম গোপনীয়তা চিত্রনাট্য লেখার সেই অভিজ্ঞতা বলতে গিয়ে লেখক জানান, তাঁর কম্পিউটারের স্ক্রিন জুড়ে শুধু দৃশ্যম ৩-এর বিভিন্ন খসড়ার ফোল্ডার ভর্তি ছিল, যেগুলির নাম দেওয়া হয়েছিল “ফাইনাল ১” বা “ফাইনাল ২”-এর মতো নাম। সবমিলিয়ে প্রায় ১০০টিরও বেশি আলাদা আলাদা খসড়া তৈরি করার পরই তবে এই চিত্রনাট্য চূড়ান্ত রূপ পেয়েছিল।

তবে সবচেয়ে বড় চমকপ্রদ তথ্যটি হলো ছবির ক্লাইম্যাক্স বা শেষ দৃশ্য নিয়ে। তথ্য ফাঁস বা স্পয়লার এড়াতে ছবির ক্লাইম্যাক্স সম্পর্কে শুটিংয়ের সময় খোদ কলাকুশলীদের বা ক্রু মেম্বারদের বেশিরভাগকেই অন্ধকারে রাখা হয়েছিল! একটা নির্দিষ্ট দৃশ্যের শুটিংয়ের জন্য যতটুকু তথ্যের প্রয়োজন হতো, শুধুমাত্র ততটুকুই তাঁদের জানানো হয়েছিল। নির্মাতাদের এই কঠোর গোপনীয়তা এবং নিখুঁত পরিশ্রমের ফলও হাতেনাতে মিলছে। মুক্তির মাত্র তিন দিনেই ভারতীয় বক্স অফিসে ১৭৬.৫০ কোটি টাকার বিশাল ব্যবসা করে বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে অজয় দেবগনের এই ছবি।

Pratik Saha
  • Pratik Saha