“১৪৭ সাংসদকে সাসপেন্ড করে বিষাক্ত বিল!” সিইসি-র রক্ষাকবচ ও এসআইআর নিয়ে মোদী সরকারকে তুলোধোনা মমতার

দিল্লি ইন্ডিয়া শিবিরের বৈঠকের পরদিনই ঝাঁঝালো আক্রমণ শানালেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নতুন দিল্লি থেকে আয়োজিত এক সাংবাদিক বৈঠকে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি। একই সঙ্গে সিইসি-র আইনি রক্ষাকবচ এবং প্রযুক্তিগত কারচুপির মাধ্যমে ভোট দখলের বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
‘ভ্যানিশ কুমার’ ও বিষাক্ত বিল নিয়ে তোপ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে কটাক্ষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তাঁকে আড়াল করতেই মোদী সরকার বিশেষ ইমিউনিটি বা রক্ষাকবচ দিয়েছে। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এই বিল যখন পাশ হয়, তখন লোকসভা ও রাজ্যসভা থেকে ১৪৭ জন সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। এটা বিষাক্ত সাপের কামড়ের মতো।” রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এআই ও বিশেষ সফটওয়্যার ব্যবহার করে লক্ষ লক্ষ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
দিল্লি থেকে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে ভোট চুরির ছক: অভিষেক সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি চাঞ্চল্যকর দাবি করে বলেন, একটি নির্দিষ্ট সফটওয়্যার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে ৬০ লক্ষ মানুষকে ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির’ আওতায় আনা হয়েছে। রোল অবজার্ভারদের আইপি অ্যাড্রেস দিল্লি বা কলকাতার দেখা গেলেও তাঁরা কার্যত দূর থেকেই সমস্ত নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ তোলেন অভিষেক। সবমিলিয়ে, এসআইআর বিতর্ক এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে এই মুহূর্তে চরম শোরগোল শুরু হয়েছে।