“বিধায়ক থাকার চেয়ে মরে যাওয়া ভালো!” ক্যামেরার সামনে হাউহাউ করে কেঁদে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা হুমায়ুন কবীরের

রেজিনগর বিধানসভা উপ-নির্বাচনের ফলাফল ও পরবর্তী পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। উপ-নির্বাচনের ঠিক পরের দিনই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ক্যামেরার সামনেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির (AJUP) চেয়ারম্যান তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। দলীয় কার্যালয়ে বসে রাজ্যের গণতন্ত্র এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়ে রাজনীতি থেকে পাকাপাকিভাবে অবসরের ঘোষণা করলেন তিনি।

সাংবাদিক বৈঠকে ক্ষোভ প্রকাশ করে হুমায়ুন কবীর বলেন, “আমি কোনও দিন অন্যায় করিনি। নিজের বাবার কাছেও মাথা নত করিনি। কাল যেটা হল, সেটা কি ঠিক হল? একজন সাব-ইন্সপেক্টর আমার গায়ে হাত তুলল! এটা মেনে নেওয়া যায় না। আমি কি ওঁকে তাড়া করেছি? কোনও অন্যায় করেছি? এটা কী ধরনের গণতন্ত্র?”

এর পরেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এই প্রবীণ রাজনৈতিক নেতা। রুদ্ধ কণ্ঠে তিনি ঘোষণা করেন, “এই ধরনের গণতন্ত্রে বিধায়ক থাকার কোনও মানে হয় না। বিধায়ক হয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে মরে যাওয়া ভালো। আমি আজ থেকেই রাজনীতি থেকে সম্পূর্ণ অবসর নিচ্ছি।”

রেজিনগর উপ-নির্বাচনের আবহে একজন বিধায়কের গায়ে হাত তোলার মতো মারাত্মক অভিযোগ এবং তাঁর এই চরম অবসরের ঘোষণা রাজনৈতিক মহলে বড়সড় শোরগোল ফেলে দিয়েছে। এই ঘটনার পর থেকেই রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র গুঞ্জন।