কানপুরে চিকিৎসা বিভ্রাটের জেরে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি। নিজের মায়ের কাটা হাত নিয়ে পুলিশের কাছে বিচার চাইলেন আইটিবিপি জওয়ান বিকাশ সিং। অভিযোগ, ১৩ মে শ্বাসকষ্টের জন্য কৃষ্ণ হাসপাতালে ভর্তি করার পর ভুল চিকিৎসায় মায়ের হাতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীকালে পারাস হাসপাতালে মায়ের হাতটি কেটে ফেলতে বাধ্য হন চিকিৎসকরা। বিকাশবাবুর অভিযোগ, কৃষ্ণা হাসপাতাল ও পারাস হাসপাতাল একে অপরের ওপর দায় চাপিয়ে দায় এড়াচ্ছে। সিএমও-র ভূমিকা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।
ঘটনাটি গুরুতর মোড় নেয় শনিবার সকালে, যখন জওয়ানের সমর্থনে আইটিবিপি-র ৩২তম ব্যাটালিয়নের কমান্ড্যান্ট গৌরব প্রসাদ প্রায় ৪০-৫০ জন সশস্ত্র জওয়ানকে নিয়ে কানপুর পুলিশ কমিশনারের দপ্তরে পৌঁছান। সশস্ত্র জওয়ানদের উপস্থিতিতে দপ্তরে কার্যত সামরিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এই ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে রাজ্য প্রশাসন।
উত্তরাখণ্ডের উপ-মুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক জানিয়েছেন, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ কমিশনার রঘুবীর লাল এবং অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ডা. বিপিন কুমার তাদা ভুক্তভোগী পরিবার ও আইটিবিপি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থার আশ্বাস দিয়েছেন উপ-মুখ্যমন্ত্রী। পুরো ঘটনায় দোষীদের সাজা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর যোগী আদিত্যনাথ সরকার।





