লখনউয়ের রাজনৈতিক মহলে এখন শুধু একটাই প্রশ্ন—কীভাবে মারা গেলেন ফিটনেস আইকন প্রতীক যাদব? বুধবার ভোরে সমাজবাদী পার্টির প্রতিষ্ঠাতা মুলায়ম সিং যাদবের কনিষ্ঠ পুত্রের আকস্মিক মৃত্যুতে স্তম্ভিত উত্তরপ্রদেশ। ৩৮ বছর বয়সী প্রতীক, যিনি নিজের খাদ্যাভ্যাস আর শরীরচর্চা নিয়ে চরম শৃঙ্খলাপরায়ণ ছিলেন, তাঁর এই অকাল প্রয়াণ কেবল শোক নয়, দানা বাঁধছে একাধিক রহস্যও।
পরিবার সূত্রে খবর, বুধবার ভোর ৪টে নাগাদ প্রতীক বুকে তীব্র অস্বস্তি অনুভব করেন। তড়িঘড়ি তাঁকে সিভিল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে ‘মৃত’ ঘোষণা করেন। কিন্তু ধন্দ কাটছে না পুলিশের। তদন্তকারী দল প্রতীকের ঘর থেকে বেশ কিছু সাপ্লিমেন্ট ও ওষুধের বাক্স বাজেয়াপ্ত করেছে। প্রশ্ন উঠছে, শরীর গঠনের নেশায় এমন কিছু কি তিনি নিতেন যা তাঁর হৃদযন্ত্রের ক্ষতি করেছে? ময়নাতদন্তে প্রতীকের নখ নীল হওয়া এবং শরীরে কালশিটে দাগ মেলায় বিষক্রিয়ার তত্ত্বও একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছে না ফরেনসিক দল।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘গোল্ডেন আওয়ার’-এ সঠিক চিকিৎসা বা সিপিআর পেলে হয়তো বাঁচানো যেত প্রতীককে। কিন্তু বাড়ি থেকে হাসপাতাল যাওয়ার পথেই সব শেষ হয়ে যায়। অপর্ণা যাদব ও তাঁর দুই কন্যা এখন দিশেহারা। সিসিটিভি ফুটেজ এবং কল রেকর্ড খতিয়ে দেখে পুলিশ জানার চেষ্টা করছে মৃত্যুর আগে প্রতীক মানসিক চাপে ছিলেন কি না। আপাতত একটি নর্ডিক ট্যাটু আর ফিটনেস আসক্তির আড়ালে লুকিয়ে থাকা সত্যের সন্ধানে লখনউ পুলিশ।





