তীব্র তাপপ্রবাহের মাঝে রাজ্যবাসীকে স্বস্তি দিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। রবিবার এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি বিদ্যুৎ বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে কৃষক, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ মানুষ কোনোভাবেই বিদ্যুৎ সংকটের মুখে না পড়েন। তিনি স্পষ্ট জানান, ট্রান্সফরমার বিকল বা ফিডার বিভ্রাটের ক্ষেত্রে কোনো স্তরেই গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না।
বৈঠকে জানানো হয়, ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৮৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে রাজ্যের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১৩,৩৮৮ মেগাওয়াট। গরমের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা যে হারে বাড়ছে, তা মেটাতে উৎপাদন কেন্দ্রগুলির পূর্ণ সক্ষমতা ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি সঞ্চালন নেটওয়ার্কের আধুনিকীকরণের ওপরও বিশেষ জোর দিয়েছেন। বর্তমানে রাজ্যের সঞ্চালন নেটওয়ার্কের কার্যকারিতা ৯৯.৩০ শতাংশে পৌঁছেছে এবং ট্রান্সফরমার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনা ৮০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
গ্রাহক পরিষেবার মান বাড়াতে মুখ্যমন্ত্রী ১৯১২ হেল্পলাইনকে আরও আধুনিক করার নির্দেশ দিয়েছেন, যার দৈনিক কল হ্যান্ডলিং ক্ষমতা ৯০,০০০-এ উন্নীত করা হয়েছে। এছাড়া, স্মার্ট মিটারের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের স্বস্তি দিয়ে জানানো হয়েছে যে, জুন মাস থেকে বিল প্রদানের ব্যবস্থা পোস্টপেইড ভিত্তিতে কার্যকর হবে। বিলিং ব্যবস্থা স্বচ্ছ ও সময়োপযোগী করার ওপরও তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন। মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, বিদ্যুৎ সরবরাহ সুনিশ্চিত করা রাজ্য সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়মিত নজরদারি এবং অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, স্বচ্ছতা ও সঠিক যোগাযোগই গ্রাহকদের আস্থা বাড়াবে।





