পাহাড়ের ধস কবলিত এলাকায় আটকে থাকা মানুষের দুর্দশার কথা জানতে পেরে ক্ষোভ উগরে দিলেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। ধস নামার আট মাস পেরিয়ে গেলেও কেন এখনও অসহায় পরিবারগুলোর পুনর্বাসন নিশ্চিত হয়নি, সেই প্রশ্ন তুলে জেলা প্রশাসনকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় জমি চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
কী পরিস্থিতি পাহাড়ে? গত আট মাসে পাহাড়ের বিভিন্ন এলাকায় ধসের জেরে বহু পরিবার তাদের বাড়িঘর হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে তাঁরা দীর্ঘ সময় ধরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। সরকারি আশ্বাস পাওয়া গেলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। বারবার প্রশাসনের দরজায় কড়া নেড়েও কোনো সুরাহা মেলেনি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
মন্ত্রীদের কড়া বার্তা: এদিন পরিস্থিতি পরিদর্শনে গিয়ে অগ্নিমিত্রা পাল স্পষ্ট জানিয়েছেন, আর কোনো বিলম্ব বরদাস্ত করা হবে না। বিগত সরকারের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, “মানুষের বিপদের সময় দীর্ঘসূত্রতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কেন এত বড় প্রশাসনিক গাফিলতি হলো, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” তিনি জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন, অবিলম্বে নিরাপদ জমি চিহ্নিত করতে হবে এবং ধস কবলিত প্রতিটি পরিবারকে দ্রুত পুনর্বাসনের আওতায় আনতে হবে।
প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপ: মন্ত্রীর এই কড়া বার্তার পর নড়েচড়ে বসেছে জেলা প্রশাসন। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসনের তরফ থেকে কত দ্রুত জমি নির্বাচন ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় এবং পাহাড়ের মানুষ কবে তাদের স্থায়ী মাথা গোঁজার ঠাঁই ফিরে পান।





