কিভাবে প্রাকৃতিক উপায়ে মশা তাড়াবেন, জেনেনিন বিস্তারিত

চারপাশে  মশার উৎপাতে এমনিতেই মানুষ নাকাল। তার ওপর এডিস মশার বিস্তারে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় বিশেষ করে রাজধানীতে এক ধরনের আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। শুধু বাংলাদেশেই নয় সারা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে এই মশাদের অত্যাচার।

তাহলে জেনে নিন মশা তাড়ানো কয়েকটি প্রাকৃতিক উপায়:

ভ্যানিলা পাউডার:ভ্যানিলা পাউডারের সঙ্গে বেবি লোশন মিশিয়ে আপনার শরীরে প্রয়োগ করেন। ভ্যানিলা পাউডার জলের সঙ্গেও মিশিয়ে নিতে পারেন। পরে ওই জল আপনার শরীরে স্প্রে করুন। এই পদ্ধতিটি ম্যাজিকের মতো কাজ করবে।

লেবু ও লবঙ্গের ব্যবহার : একটি গোটা লেবু খণ্ড করে কেটে নিন। এরপর কাটা লেবুর ভেতরের অংশে অনেক গুলো লবঙ্গ গেঁথে দিন। লেবুর মধ্যে লবঙ্গের পুরোটা ঢুকাবেন শুধুমাত্র লবঙ্গের মাথার দিকের অংশ বাইরে থাকবে। এরপর লেবুর টুকরা গুলো একটি প্লেটে করে ঘরের কোণায় রেখে দিন। ব্যস, এতে বেশ কয়েকদিন মশার উপদ্রব থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন।

মৌরি, তুলসী এবং ইউক্যালিপটাসের তৈল: মৌরি, তুলসী এবং ইউক্যালিপটাসের তৈল আপনার আশেপাশের মশা তাড়াতে সহায়তা করবে। সেই জন্য তেল পাঁচ থেকে ১০ ফোঁটা তেল জলের সঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর ওই মিশ্রণটি আপনার শরীরে স্প্রে করুন। ইচ্ছা করলে কিছু তুলো নিয়ে তেলের মধ্যে ভিজিয়ে জানালার পাশে টানিয়ে রাখতে পারেন। তাতেও মশা মারতে ভালো কাজ করবে।

লবঙ্গ: লবঙ্গ দিয়েও মশা তাড়াতে পারবেন : এর জন্য আপনাকে পাঁচ গ্রাম লবঙ্গ এক গ্লাস জলের ভিজিয়ে রাখতে হবে ১৫ মিনিট। তার পর এই সুগন্ধিটি নিয়ে আপনার শরীরে মেখে রাখুন।

দারুচিনির তেল: দারুচিনির তেলও মশা দূরে রাখতে সহায়তা করবে। এটি শুধু মশাই নয় আরশুলা এবং তেলাপোকাকে দূরে রাখবে। এর জন্য আপনাকে দারুচিনির তেল শরীরের ভালো করে মাখতে হবে।

জলের সঙ্গে তুলসীর শিকরের মিশ্রণ: কোনো ধরনের পোকা আপনার মুখে স্পর্শ করতে পারবে না যদি ঘুমানোর আগে জলের সঙ্গে তুলসীর শিকরের এক বিশেষ মিশ্রণ দিয়ে ধোয়ে ঘুমান। তার জন্য আপনাকে শূন্য দশমিক চার গ্যালন পানিতে কিছু তুলসী কাছের শিকর কেটে দিয়ে সিদ্ধ করতে হবে। পরে ওই জল দিয়ে আপনার মুখ ধোয়ে ঘুমিয়ে যান। মশা বা কোনো ধরনের পোকা আপনার মুখে আক্রমণ করার সাহস হবে না।

তুলসী পাতা: মাশা তাড়াতে তুলসী পাতাও ভালো কাজ করতে পারে। এর জন্য আপনাকে কয়েকটি তুলসী পাতা এবং তুলসী গাছের ফুল সংগ্রহ করতে হবে। পরে এগুলোকে ভালো করে টুকরা টুকরা করে কাটতে হবে। এরপর এগুলো বাসার নিরাপদ স্থানে রেখে দিন। এর ফলে কোনো ধরনের মশাই আপনার ঘরে আসতে পারবে না।