করোনা মোকাবিলায় সকলেরই এই মাস্ক ব্যবহার করা উচিত?

করোনা ভাইরাস অত্যন্ত ছোঁয়াচে এবং এই জীবাণু মানুষের থেকে মানুষে ছড়িয়ে পড়ে। এই ভাইরাসে আক্রান্ত এমন মানুষ ৬ ফুট নাগালের মধ্যে থাকলে সুস্থ মানুষ রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ার ঝুঁকি অনেক বেশি। বিশেষ করে আক্রান্ত মানুষটির হাঁচি, কাশি, নাক ঝাড়া বা নাকে-মুখে হাত দিয়ে সুস্থ মানুষের সংস্পর্শে এলে, অন্যজনের অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকি প্রবল। সব থেকে মুশকিল হল জীবাণু সরাসরি ফুসফুসে পৌঁছে যায়।

প্রথমত ভিড়ভাট্টায় না থাকাই ভাল। কাছাকাছি কারও হাঁচি-কাশি হলে নিজের নাক-মুখ চাপা দিয়ে রাখার সঙ্গে সঙ্গে ২০
সেকেন্ড ধরে ভাল করে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। সাবান বা জল
না থাকলে ৬০ শতাংশ অ্যালকোহল আছে এমন হ্যান্ড
স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করা উচিত। সার্জারি মাস্কও পরতে হবে।

করোনার সতর্কতা হিসেবে মাস্ক ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে। তবে এ ব্যাপারে কিছু নিয়মও বলে দিয়েছে, যা মানা উচিত। তা হলো…

• যাদের ‘কোভিড-১৯’ ভাইরাসের সংক্রমণ হয়েছে তাদের মাস্ক ব্যবহার করা উচিত। যারা হেল্‌থ কেয়ার সার্ভিসে আছেন
তাদেরও বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক ব্যবহার করা দরকার। আর যারা কোভিড-১৯ আক্রান্তদের চিকিৎসা করছেন তারা অবশ্যই
মাস্ক ব্যবহার করবেন।

• সুস্থ মানুষের গণহারে মাস্ক ব্যবহারের কোন কারণই নেই।

• বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে মাস্ক ব্যবহারের আগে ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান দিয়ে ভাল করে
হাত ধুয়ে তবেই মাস্ক পরা উচিত।

• সঠিকভাবে মাস্ক পরা দরকার এবং তা ভিজে মনে হলে অবশ্যই পরিবর্তন করে নিতে হবে।

• কানের স্ট্র্যাপ ধরে মাস্ক খোলা-পরা করা উচিত। যেখানে-সেখানে মাস্ক ফেলা অনুচিত।