জানেন কি, একটা সময় পর মানুষ আর লম্বা হয়না কেন? জেনেনিন বিস্তারিত

একটা মানুষ ছোট থেকেই স্বাভাবিক ভাবে বড় হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে উচ্চতা বাড়তে থাকে । তবে অনেক মানুষকেই আবার দেখা যায় যারা বেশি লম্বা হয় না।তবে এই উচ্চতা কিন্তু নির্ভর করে বাবা-মা কতটা লম্বা তার ওপর।কিন্তু সবসময় বাবা-মায়ের উচ্চতার ওপর কিন্তু সন্তানের উচ্চতা বৃদ্ধি পায় না। এটি বংশগত দিক থেকেও হয়ে থাকে।বাবা বেঁটে মা বেঁটে কিন্তু সন্তান লম্বা এই নিয়ে অনেকের মধ্যেই আলোচনা করতে দেখা যায়। তবে এটা ভুল ধারণা, বাবা-মা বেঁটে হলে সন্তান লম্বা হতে পারবে না।কারণ এখানে মানুষের কোনো হাত থাকে না।

চিকিৎসাবিদ্যা বলে, ‘একজন নারী যখন গর্ভবতী হয় সেই সময় যদি সেই নারী পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করেন বা সন্তান জন্মের পর যদি সন্তানকে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো হয় তাহলে সেই সন্তান তার বাবা-মায়ের তুলনায় লম্বা হওয়ার সম্ভবনা বেশি থাকে।এমনকি ১৮বছরের মধ্যে যেটুকু লম্বা হওয়ার হয়ে যাবে। তবে আবার কেউ কেউ ২১বছর পর্যন্ত যতটুকু লম্বা হওয়ার হয়ে যায়।

প্রত্যেক মানুষের কপালে একজোড়া গ্রন্থি (পিটুইটারি) আছে। সেই গ্রন্থি বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হরমোন নিঃসরিত হয়। হরমোন যদি বেশি পরিমানে উৎপন্ন ও ক্ষরণ হয় তাহলে একজন মানুষ অনেক লম্বা হয়। কিন্তু যদি সেই হরমোন খুব কম পরিমানে উৎপন্ন ও ক্ষরণ হয় তাহলে একজন মানুষ খুব কম লম্বা হয়।এমনকি যখন হারের গ্রোথ প্লেট একজন মানুষের শক্ত হয়ে যায় তখন উচ্চতা স্থির হয়ে যায় । হরমোন নিঃসরণ হলেও আর লম্বা হয়না। তখন হারের পুরুত্ব বাড়ে কিন্তু হার বাড়ে না।

একজন সন্তান কতটুকু লম্বা হবে সেটা নির্ভর করে তার বাবা-মায়ের জিনগত বৈশিষ্ঠ্য থেকে।পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে ততটুকু হরমোন নিঃসরিত হবে যতটুকু একজন সন্তান জন্ম দেওয়ার সময় হয়েছিল। তাই একজন সন্তান কতটুকু লম্বা হবে সেটা নির্ভর করবে তার বংশগত দিক থেকে।