বাঁচতে চাইলে,মাছ খাওয়ার সতর্কতা জেনে মাছ খান!

আমরা জানি,মাছে ভাতে বাঙালি। বাঙালিদের মাছ ছাড়া একদিন ও চলে না। আর মাছ খেতেই কে না ভালোবাসে। বিভিন্ন কারণে পুষ্টিবিজ্ঞানী ও চিকিৎসকরা বলেন, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কোনো না কোনো মাছ রাখা দরকার।তবে যেকোনো কিছুরই যেমন ভালো দিক রয়েছে,তেমন খারাপ দিক ও রয়েছে। মাছ খাওয়ার যেমন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে ,তেমন স্বাস্থ্যঝুঁকিও রয়েছে।
তাই মাছ খাওয়ার সময় সতর্ক হয়ে খান।
১.গর্ভাবস্থায় ক্ষতিকর
মাছে বিশেষ করে সামুদ্রিক মাছে থাকা বিভিন্ন খনিজ উপাদান গর্ভাবস্থায় ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।
২.অতিরিক্ত মাছ খাওয়া
নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, সামুদ্রিক মাছসহ বিভিন্ন স্বাদুপানির মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড থাকে। এই ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড বেশি খেলে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়তে পারেন। এ বিষয়ে গবেষক নরম্যান হর্ড জানান, এই বিশেষ ফ্যাটি অ্যাসিডের প্রদাহবিরোধী ধর্ম রয়েছে। আর এ কারণে হার্টের স্বাস্থ্য ও প্রদাহজনিত সমস্যায় ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড উপকারী। কিন্তু তা সত্ত্বেও এটি অতিরিক্ত খেলে শরীরের প্রতিরোধব্যবস্থা পাল্টে যেতে পারে। এর ফলে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে গিয়ে শরীর ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হতে পারে, হতে পারে রোগ সংক্রমণ।