আপনার সন্তানের মধ্যে থেকে মোবাইলের নেশা তাড়াতে যা যা করবেন, রইলো ৫ টি সহজ উপায়

বর্তমান প্রযুক্তির যুগে মোবাইল প্রবেশ করেছে প্রায় সকলের বাড়িতেই। আর এই ফোন যেদিন থেকে স্মার্টফোমন হয়ে উঠেছে সেদিন থেকেই বাড়ছে শিশুদের এর প্রতি মারাত্বক ঝোক। আর এই ফোন ব্যবহারের ফলে বাড়ছে শিশুদের স্বাস্থ ঝুঁকি সেই সাথে ক্ষতি হচ্ছে তাদের পড়াশুনা। বর্তমান সময়ে শিশুরা বেশিরভাগ বাইরে গিয়ে খেলা ধুলো করে না। আর তারা ভিডিও গেম খেলতে চোখ রাখে মোবাইলের স্ক্রিনে। আর মোয়াবিলে ভিডিও গেম খেলার নেশা তার মারাত্বক নেশায় পরিণত হয় যা শিশুর জন্য মারাত্বক ক্ষতির আকার ধারণ করে।

মোবাইলের পর্দার দিকে দীর্ঘক্ষণ তাকিয়ে থাকার ফলে শিশুদের মধ্যে দেখা যায় মাথা ধরা, মাইগ্রেন ও পেশিতে ব্যথা এবং চোখের জ্যোতি কমে যাওয়ার প্রবণতা। আর অবসসই মনে রাখবেন ৮ বছরের নিচের শিশুদের হাতে মোবাইল দেওয়া উচিত নয়।

কারণ বেশিরভাগ সময় ধরে মোবাইল ঘটলে তাদের মস্তিষ্কের বিকাশ হয়না। ফলে তাদের মনে বেড়ে যায় সংবেদনশীলতা ও কমে যায় চিন্তার ক্ষমতা। তাই আপনার বাড়ির শিশু সন্তানের যদি মোবাইলের নেশা থাকে তাহলে দেরি না করে আজি তা তাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন।

চলুন জেনে নেওয়া যাক শিশুদের থেকে মোবাইলের নেশা দূর করতে কি কি করবেন –

১.আপনার শিশুকে বিকেল বেলায় খেলার জন্য নিয়ে যান কাছের কোনও মাঠে। সেখানে গিয়ে তাকে বন্ধুদের সাথে মিলিত হয়ে খেলার জন্য উৎসাহ প্রদান করুন।

২.এরপর আপনার শিশুর পড়াশুনা শেষে অবসর সম্পয়ে তাকে বিভিন্ন হাতের কাজ, ছবি আঁকা, বা কবিতা পড়তে উৎসাহিত করুন।

৩.রাতে তাতারী ঘুমোনোর অভ্যাস করান আপনার শিশুকে। আপনিও তার সামনে মোবাইলটি কম ব্যবহার করুন।

৪. খাবার সময় শিশুর কাছে বা আপনার হাতে মোবাইল রাখবেন না। পরিবর্তে শিশুর খাবারের প্রতি আপনি যত্ন নিন।

৫. শিশুদের মোবাইলের সাথে সাথে বিভিন্ন জনক ফুড কাহার থেকে বিরাট রাখুন। কারণ জনক ফুড খাবার শরীরের কর্মশীলতা কমিয়ে দেয় আর চোখে মুখে নিয়ে আসে অলসতার ছাপ যা আপনার শিশুকে প্রাণবন্ত হয়ে ছুটোছুটি করতে উৎসাহিত করে না ফলে শিশু হাতের কাছে মোবাইল পেলে সেই মোবাইল নিয়েই সম্পয় কাটাতে চায়।