শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমানোর সহজ ৫টি কার্যকরী উপায়

অতিরিক্ত খাওয়া কিংবা অনিয়ন্ত্রিত খাদ্য তালিকার জন্য অনেকেরই শরীরের ওজন অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে বেড়ে যায়। পেটে চর্বি বৃদ্ধির সঙ্গে শরীরের সৌন্দর্যও নষ্ট হয়। শরীরের অতিরিক্ত চর্বি বা মেদ থাকার জন্য বিভিন্নরকম রোগ জন্ম নিতে পারে শরীরে। এ কারণে অনেকে জিম বা ফিটনেস সেন্টারেও ভর্তি হয়ে থাকেন। কিন্তু ব্যস্ততম এই সময়ে সবার পক্ষে ফিটনেস সেন্টার বা শারীরিক ব্যায়াম সম্ভব হয়না। তবে খাদ্য তালিকা একটু পরিবর্তন ও সচেতন হলেই শরীরের চর্বি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

প্রসেসড ফুড : সকালের ব্রেকফাস্ট প্রসেসড ফুড খাওয়া একদম বন্ধ করে দিন। এসব খাবারে হিতে বিপরীত হয়ে থাকে। প্রসেসড ফুড বা প্যাকেটজাত খাবারে নিজের অজান্তেই শরীরের মেদ বা চর্বি বাড়তে থাকে। এসব খাবারে প্রেজারভেটিভ থাকে। সেই সঙ্গে অতিরিক্ত তেল-মসলা থাকায় স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর।

কেক ও কুকিজের ব্যবহার : কেক বা কুকিজ তৈরির জন্য ময়দা, চিনি ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট ব্যবহার হয়ে থাকে। এসকল উপকরণ শরীরের পক্ষে খুবই ক্ষতিকর। তাই যে কোনো খাবারে এসব উপকরণ যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।

নুডলস : নুডলস ময়দায় তৈরি হয়। এসব খাবার খেতে খুব সুস্বাদু হলেও ব্রেকফাস্ট খাওয়া একদমই উচিত নয়।

ফ্রুট জুস : বাজারে পাওয়া ফ্রুট জুস কখনোই ব্রেকফাস্ট জন্য ভালো নয়। জুসে অতিমাত্রায় চিনির পরিমাণ থাকে যা শরীরের ওজন দ্রুত বাড়িয়ে দেয়। তাই এসব জুস না খেয়ে সরাসরি গোটা ফল খাবেন। এতে উপকারও বেশি।

সিঙ্গারা-পুরি : অনেকেরই অভ্যাস সকালের ব্রেকফাস্ট কিংবা বিকেলে হালকা খাবারে সিঙ্গারা-পুড়ি খাওয়া। এসব খাবার খাওয়ার ফলে শরীরের মেদ তো বাড়েই সেই সঙ্গে গ্যাসট্রিকের সমস্যাও তৈরি করে। তাই এসব খাবারের পরিবর্তে বরং রুটি, ওটস, ডালিয়া ও বিভিন্ন রঙের ফলমূল খেতে পারেন।

এসআর/