ভিন্ন মাথাব্যথার প্রাকৃতিক সমাধান, জেনেনিন একঝলকে

মাথাব্যথা কোনো সাধারণ রোগ নয়।বিভিন্ন মাথাব্যাথার প্রাকৃতিক সমাধান জেনে নিন-\

ক. সাধারণ মাথাব্যথা: মাথায় ঠান্ডা বা রোদ লেগে কিংবা ঘুম কম হলে এ ধরনের ব্যথা হয়। এটি কিছুটা কষ্টদায়ক হলেও তেমন তীব্র হয় না। আর এ-জাতীয় মাথাব্যথা সারিয়ে তোলার উপায়ও সহজ। সামান্য জল দিয়ে হাত দুটি ভিজিয়ে নিন। ভেজা হাতে মুছে নিন আপনার কপাল, মুখমন্ডল ও ঘাড়। দু-তিন বার এভাবে করুন। জায়গাগুলো একটু ভেজা ভেজা হলে কিছুক্ষণ বসে থাকুন খোলা বাতাসে।

খ. তীব্র ব্যথা: বিভিন্ন কারণে তীব্র মাথাব্যথা হয়। এক-দুই কোয়া রসুন ছেঁচে রসটুকু ছেঁকে নিন। এবার দু-তিন ফোঁটা করে রস নাকের দুই ছিদ্র দিয়ে ভেতরে টেনে নিন। এমন গতিতে টানবেন যেন রসের ফোঁটা নাকের একেবারে ভেতরে চলে যায়। ঠিকমতো যদি রসটুকু আপনার নাকের গভীর পর্যন্ত যেতে পারে, তাহলে কয়েক মিনিট নয়, মাথাব্যথা থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য কয়েক সেকেন্ডই যথেষ্ট।

গ. আধকপালি মাথাব্যথা: সারা মাথা নয়, ডান বা বামদিকে কপালসহ মাথার অর্ধেকজুড়ে যে ব্যথা হয়, তাকে বলা হয় আধকপালি মাথাব্যথা। মশলার দোকানে ‘হিং’ নামক এক ধরণের মশলা কিনতে পাওয়া যায়। ‘হিং’ জলে গুলে ফোঁটায় ফোঁটায় নাকের ভেতর দিলে এমন ব্যথা সেরে যায়। বাজারে প্রচুর ভেজাল হিং পাওয়া যায়।

ঘ. মাইগ্রেন: মাইগ্রেন আলাদা ধরনের কোনো ব্যথা নয়। রসুনের কয়েকটি কোয়া বা কালিজিরা বেটে মাথায় লাগালে মাইগ্রেন সেরে যায়। কিশমিশের মতো আরেকটা ফল আছে নাম মনাক্কা। নিয়মিত কয়েক দিন এ ফল আর গোলমরিচ একসঙ্গে চিবিয়ে খেলেও মাইগ্রেন সারে। তবে সবচেয়ে কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি হলো- আধা চা-চামচ কালিজিরা ও আধা চা-চামচ পান খাওয়ার চুনের গুঁড়ো নিন। চামচ দিয়ে নেড়ে কালিজিরা আর চুন ভালো করে মেশান। এবার এ মিশ্রণ একটা পাতলা কাপড়ে নিয়ে পুঁটলি বাঁধুন। এক হাতে পুঁটলিটা নিয়ে অন্য হাতের তালুতে চাপ দিয়ে ধরে কয়েক সেকেন্ড ঘষুন। এবার ডান হাত দিয়ে পুঁটলিটা নাকের ডান দিকের ছিদ্রে চেপে ধরুন। অন্য হাতের একটি আঙুল দিয়ে নাকের বাম ছিদ্রটি চেপে ধরে রাখুন। এবার জোরে একটা শ্বাস টানুন।চিকিৎসাব্যবস্থাটি দু-তিন দিন গ্রহণ করলে মাইগ্রেনের নরকযন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবেন চিরদিনের জন্য।