তীব্র দাবদাহে যখন জনজীবন বিপর্যস্ত, তখনই এল স্বস্তির খবর। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার থেকে আগামী তিন দিন দক্ষিণবঙ্গজুড়ে ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়ের তীব্রতা বাড়ায় আবহাওয়া দপ্তর ‘কমলা সতর্কতা’ বা অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করেছে। এই সময়ে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী ঝড় হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের মতো জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, যার ফলে তাপমাত্রা ২-৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমে আসতে পারে। আবহাওয়া দপ্তর সাধারণ মানুষকে বজ্রাঘাতের সময় নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দিয়েছে।
এই আকস্মিক আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণ হিসেবে দক্ষিণ বিহারের ওপর থাকা ঘূর্ণাবর্ত এবং বিহার থেকে অন্ধ্রপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত অক্ষরেখাকে দায়ী করেছেন বিজ্ঞানীরা। বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প স্থলভাগে প্রবেশ করায় বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারের মতো পাঁচটি জেলায় ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। টানা বৃষ্টির ফলে উত্তরবঙ্গেও তাপমাত্রা ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নামার সম্ভাবনা রয়েছে। দীর্ঘদিনের অস্বস্তিকর গরম থেকে মুক্তি পেতে এখন বৃষ্টিভেজা আবহাওয়া প্রত্যাশা করছেন রাজ্যবাসী।





