নন্দীগ্রামের মাটি থেকে আজ এক আবেগঘন অথচ কড়া বার্তা শোনা গেল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কণ্ঠে। তিনি ঘোষণা করলেন যে, তিনি নন্দীগ্রাম ছাড়ছেন, তবে এখানকার মানুষের সঙ্গে তাঁর ‘আত্মীয়তা’ ও সম্পর্কের বাঁধন কোনোদিন ছিন্ন হবে না। কিন্তু একইসঙ্গে নন্দীগ্রামের দখল নেওয়া ‘গুন্ডা’ বা দুষ্কৃতীদের উদ্দেশ্যে তিনি শুনিয়ে দিলেন কড়া হুঁশিয়ারি।
বিদায়বেলায় শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমি নন্দীগ্রাম ছাড়ছি মানে এই নয় যে আপনাদের ছেড়ে দিচ্ছি। আমাদের সম্পর্কটা রাজনৈতিক নয়, আত্মীয়তার। তবে যারা আজ ভয় দেখিয়ে, সন্ত্রাস চালিয়ে নন্দীগ্রামের পরিবেশ নষ্ট করছে, তাদের বলছি— আপনারা চাইলে ইট খুলে নিতে পারেন, কিন্তু মনে রাখবেন, সবকিছুর হিসাব দিতে হবে।”
আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার জন্য কর্মী-সমর্থকদের পরামর্শ দিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, “আপনারা ধৈর্য ধরুন, আইন হাতে তুলে নেবেন না। এদের সবার জায়গা হবে একটাই— জেলখানা। সময় আসছে, আমি সবকিছুর হিসাব নেব।”
শুভেন্দুর এই বক্তব্য ঘিরে নন্দীগ্রামের রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। নন্দীগ্রাম ছাড়ার এই ঘোষণা কৌশলগত নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তবে তাঁর এই হুঁশিয়ারি যে সরাসরি শাসকদলের স্থানীয় নেতৃত্বের দিকে, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।





