শিলিগুড়ির রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এক নতুন ধারার সূচনা করলেন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। এলাকার মানুষের অভাব-অভিযোগ সরাসরি শুনতে তিনি গ্রহণ করেছেন ‘সরাসরি শঙ্কর’ কর্মসূচি। রবিবার সকালে বাঘাযতীন পার্কে খোলা আকাশের নিচে টেবিল-চেয়ার পেতে বসে শঙ্কর ঘোষকে এলাকাবাসীর সমস্যার কথা লিপিবদ্ধ করতে দেখা যায়। শিলিগুড়ির বাসিন্দাদের দাবি, গত ১৫ বছরে এই ধরণের ছবি তাদের কাছে সম্পূর্ণ নতুন। জনপ্রতিনিধিকে হাতের কাছে পেয়ে নিজেদের সমস্যার কথা সরাসরি জানাতে পেরে খুশি সাধারণ মানুষ।
এই কর্মসূচি সম্পর্কে বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, “রাজ্যের মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। গত ১৫ বছরে রাজ্যে যে জঞ্জাল তৈরি হয়েছে, তা ১৫ দিনে পরিষ্কার করা সম্ভব নয়। আমাদের দল মানুষের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে বদ্ধপরিকর। মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশ মেনে আমি মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যেতে চাই। অতীতে বিরোধী দলের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছি, এখন সরকারে থাকা দলের প্রতিনিধি হিসেবে মানুষের সমস্যা সমাধানে আমি পূর্ণ সচেষ্ট।” তবে তিনি এও স্পষ্ট করেন যে, মানুষের দীর্ঘদিনের জমে থাকা সমস্যাগুলোর সমাধানের জন্য কিছুটা ধৈর্যের প্রয়োজন।
একই সঙ্গে, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপি জনপ্রতিনিধিদের তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। বর্ষার মরসুম আসার আগেই নিকাশি ব্যবস্থার হালহকিকত খতিয়ে দেখতে মাঠে নেমেছেন বহরমপুরের বিজেপি বিধায়ক সুব্রত মৈত্র। রবিবার সকালেই বহরমপুরের ইন্দ্রপ্রস্থ নতুন বস্তি এলাকায় মজে যাওয়া ড্রেনের কাজ পরিদর্শনে যান তিনি। এলাকার জলমগ্ন হওয়ার চিরস্থায়ী সমস্যা সমাধানে সেচ দপ্তর ও পুরসভার ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে যৌথভাবে একটি রোডম্যাপ তৈরি করেছেন বিধায়ক। ইতিমধ্যেই সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। বিধায়কের আশা, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আসন্ন বর্ষায় এলাকার জলযন্ত্রণা অনেকটাই লাঘব হবে।





